আজিজুল হক (বীর বিক্রম)

Posted by AL Amin Khan
Feb. 19, 2019, 4:44 p.m.
সোনাইমুড়ী উপজেলার দক্ষিণে বগাদিয়া এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর উভয়ের কাছে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বগাদিয়া সেতুর নিচ দিয়ে নৌকায় করে মুক্তিযোদ্ধারা কানকিরহাট হয়ে ভারতে যাওয়া আসা করতেন। সে জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বগাদিয়ার ওপর কড়া নজর রাখত। মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানিদের কড়া নজর উপেক্ষা করে কয়েকবার ওই সেতু ধ্বংস করেন এবং কয়েকবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর টহল দলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হন। বেশির ভাগ যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীই ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়। দুই-তিনবার মুক্তিযোদ্ধাদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৯৭১ সালে আজিজুল হকের মা-বাবা ও তাঁর স্ত্রী জানতেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছেন। দেশের জন্য যুদ্ধ করছেন। সুবেদার লুৎফর রহমানের নেতৃত্বাধীন মুক্তিবাহিনীর দলে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জানতেন না, তিনি সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জানতে পারেন, আজিজুল হক বগাদিয়ায় এক যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। সহযোদ্ধারা তাঁর মরদেহ উদ্ধার করতে পারেননি। কোথায় তিনি সমাহিত, কেউ জানেন না। পরিবারের সদস্যরা পরে খোঁজ করেও তাঁর কবর খুঁজে পাননি উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে https://bn.wikipedia.org/s/9oe0